ঢাকা জেলার জনপ্রিয় ৪০টি দর্শনীয় স্থানের তালিকা ও সময় সূচি

প্রিয় দর্শক, আপনাদের সাথে আছি আমি বিএম বেলাল।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার জনপ্রিয় ৪০টি দর্শনীয় স্থানের তালিকা ও সময় সূচি।

রাজধানী  ঢাকার ৪০ টি  উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানের নামের তালিকা ও বেড়ানোর সময়সূচি
আমরা সবাই কম-বেশি ঘুরতে পছন্দ করি। আপনাদের সুবিধার জন্য ঢাকার সকল দর্শণীয় স্থান সমূহের তালিকা ও সময় সূচি দেয়া হল। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা । এই ঢাকা শহরকে বলা হয় ঐতিহ্যের শহর, সংস্কৃতির শহর । শত শত বছর ধরে এই ঢাকা শহর বিভিন্ন সভ্যতা ও সংস্কৃতির স্মারক বহন করে আসছে । এখানে বেড়ানোর জায়গা অনেক । তবে সেগুলোর মধ্যে বিশেষ কয়েকটি জায়গার বর্ণনা অতি সংক্ষিপ্তাকারে এখানে দেয়া হলো । বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মহানগরী বিশ্বের রিকশার রাজধানী হিসেবেও পরিচিত । এই মহানগরীতে প্রতিদিন প্রায় চার লাখ রিকশা চলাচল করে, যা বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না । ঢাকাকে মসজিদের শহর বলে থাকেন অনেকেই । বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত এই মহানগরী বিশ্বের সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ন মহানগরীগুলোর অন্যতম ।
১৬১০ সালে ঢাকাকে প্রথম বাংলার রাজধানী বলা হয় । এ সময়ে মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর । ১৭১৭ সালের পর দীর্ঘদিন ঢাকা রাজধানীর মর্যাদাহীন থাকে । ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে ঢাকাকে আবার বাংলার রাজধানী করা হয়; কিন্তু ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ঢাকা থেকে রাজধানী আবার স্থানান্তর করা হয় । এরপর ১৯৪৭ সালে ঢাকাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী করা হয় এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকাকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঘোসণা করা হয় । ঢাকার নামকরণের সঠিক ইতিহাস ব্যাপক মতভেদ রয়েছে । কারো কারো মতে, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নাম থেকে কালক্রমে ঢাকা নামকরণ করা হয়েছে । আবার অনেকের মতে, মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোসনা করেন, তখন সুবাদার ইসলাম খান আনন্দের বহি:প্রকাশস্বরুপ শহরে ‘ঢাক’ বাজানোর নির্দেশ দেন । এই ঢাক বাজানোর কাহিনী লোকমুখে কিংবদন্তির রুপ নেয় এবং তা থেকেই শহরের নাম ঢাকা হয়ে যায় । এবার দেখে নেয়া যাক, ঢাকা শহরের বেড়ানোর জায়গা গুলো ।


রাজধানী ঢাকাকে বৃত্তাকারে ঘিরে আছে চার নদ-নদী— বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ। এসব নদীপথ ঘিরেই বিস্তার লাভ করেছে ঢাকা
ঢাকার চারপাশে চারটি জেলা । ঢাকার পশ্চিম পাশে মানিকগঞ্জ জেলা, পূর্ব পাশে নরসিংদি জেলা, দক্ষিণ পাশে মুন্সিগঞ্জ জেলা ও উত্তর পাশে গাজীপুর জেলা ।


ঢাকার ৪০ টি দর্শনীয় স্থানের তালিকাটি আমরা কয়েকটি ক্যাটাগরীর উপর ভিত্তি করে ভাগ করেছি এবং এ অনুযায়ী তা পর্যায়ক্রমে আলোচনায় আছে । 40 Tourist Spots in Dhaka-40 Best Places to Visit in Dhaka
ক্র. নম্বর: রাজধানী ঢাকায় বেড়ানোর উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানের/ক্যাটাগরী নম্বর (হতে-পর্যন্ত)
১ জাদুঘর (১-২)
২ কেনাকাটা/শপিং/মার্কেট/শপিং (৩-৪)
৩ প্রকৃতি (৫-৬)
৪ পার্ক (৭-৮)
৫ নৌকা ভ্রমন (৯-১০)
৬ চিড়িয়াখানা (১১-১১)
৭ শিশু পার্ক (১২-১৩)
৮ উদ্যান (১৪-১৫)
৯ মুভি থিয়েটার/প্রদর্শনী (১৬-১৭)
১০ পরিবহন/ বাসস্ট্যান্ড/এয়ার পোর্ট/ রেলওয়ে স্টেশন/ লঞ্চ-স্টিমার ঘাট (১৮-১৯)
১১ স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য (২০-২১)
১২ বিনোদন পার্ক (২২-২৩)
১৩ স্থাপত্যকৃতি (২৪-২৬)
১৪ মসজিদ/মন্দির/চার্চ (২৭-২৯)
১৫ বিশ্ববিদ্যালয় (৩০-৩১)
১৬ লাইব্রেরী (৩২-৩৩)
১৭ স্টেডিয়াম (৩৪-৩৫)
১৮ লেক (৩৬-৩৭)
১৯ খাদ্য ও পানীয় (৩৮-৪০)



রাজধানী  ঢাকার ১০০ টি  উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানের নামের তালিকা ও বেড়ানোর সময়সূচি
১. জাতীয় জাদুঘর :
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত দেশের প্রধান জাদুঘর ।এখানে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং বিশ্বসভ্যতার নানা বিষয়াবলি সংরক্ষিত আছে । ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ তৎকালীন সচিবালয়ে (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল) জাদুঘরের কার্যাক্রম শুরু হয় । বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল তৎকালীন সচিবালয়ের একটি কক্ষে ঢাকা জাদুঘরটির উদ্ধোধন করেন । ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের ৭ আগস্ট ঢাকা জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয় । ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৫ আগস্ট সর্বসাধারনের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় । ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর শাহবাগে । ঢাকা জাদুঘরকে বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরের মর্যাদা দিয়ে অত্যাধুনিক বৃহদায়তনের বর্তমান ভবনের উদ্ধোধন করা হয় । আট একর জমির ওপর চার তলা ভবনটির তিনটি তলা জুড়ে রয়েছে ৪৩ টি গ্যালারি । যেখানে বিভিন্ন প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে ।

২. বিজ্ঞান জাদুঘর:
ঢাকার আগারগাঁও এলাকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উপাদান নিয়ে গঠিত হয়েছে বিজ্ঞান জাদুঘর। সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সকলের জন্য খোলা থাকে। শুধু শুক্রবার দিন বিকাল ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিজ্ঞান যাদুঘরের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন হচ্ছে বৃহস্পতিবার।

৩. বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, পান্থপথ, ঢাকা :
বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ঢাকার পান্থপথে অবস্থিত । এটি মঙ্গলবার বন্ধ থাকে ।

৪. যমুনা ফিউচার পার্ক :
যমুনা ফিউচার পার্ক প্রগতি স্মরণী, কুড়িল বারিধারায় অবস্থিত ।

৫. ক্রিসেন্ট লেক :
সংসদ ভবনের পিছন দিকে রয়েছে জিয়া উদ্যান । সেখানে প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার রয়েছে । প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সেখানে তাদের প্রিয় শহীদ প্রেসিডেন্টের মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পন করেন । জিয়া উদ্যানে প্রতিদিন অনেক মানুষ পরিষ্কার স্বচ্ছ বাতাসের টানে সেখানে গিয়ে থাকেন । জিয়া উদ্যানের ঠিক মাঝামাঝি অবস্থানে স্কেটিং খেলা অনুষ্ঠিত হয় । ৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা এতে অংশ্রগ্রহন করে । যখন তারা স্কেটিং করার জুতো পরে এখানে স্কেটিং করে তখন তা দেখতে অসংখ্য মানুষ ভীড় জমায় । এই স্কেটিং দেখার জন্য চারপাশে স্টেডিয়ামের আদলে সীট বানানো আছে । দর্শকরা সেখানে বসে নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে পারে পাশ্চাত্যের বরফ স্কেটিং করার স্বাদ বাংলাদেশে । বাচ্চারা যখন স্কেটিং করে তখন তাদের অভিবাভকেরা দর্শকদের আসনে বসে হাততালি দিয়ে উৎসাহ জানান । পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই বিকেল বেলা জিয়া উদ্যানে গিয়ে থাকেন । এখানে আসা মানুষদের বক্তব্য হলো, এখানে এলে যেন প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়া যায় । অন্যান্য পার্কের মতো এখানে হকারদের অযথা জ্বালাতন নেই । ফলে এখানে আসা মানুষগুলো নির্বিঘ্নে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে ঘরে বেড়াতে পারে । প্রকৃতির নির্মল বাতাসে শ্বাস নিতে পারে ।

৬. বলধা গার্ডেন:
উঁচু দালানে ঘেরা বলধা গার্ডেন নামের এই উদ্ভিদ উদ্দ্যানটি অবস্থিত পুরানো ঢাকার ওয়ারীতে। সপ্তাহের প্রতিদিন খোলা থাকে। সময় সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং দুপুর ২টা হতে বিকাল ৫টা। এই বাগানে প্রবেশ করতে সামান্য প্রবেশ প্রদান করতে হয়।

০৭. রমনা পার্ক:
ঢাকা শহরের নাগরিক কোলাহল থেকে একটু শান্তির প্রত্যাশায় কোথাও যেতে চান। তাহলে চলে যান ঢাকার রমনা পার্কে। এই পার্কটি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত খোলা থাকে। ঢাকা শাহাবাগের মোড় থেকে একটু এগিয়ে শিশুপার্কের সামনে এই পার্কের অবস্থান। এতে প্রবেশ করতে কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না।

৮. বাহাদুর শাহ্‌ পার্কঃ
অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক। আঠার শতকের শেষের দিকে এটি ছিল ঢাকার তদনীন্তন আর্মেনীয়দের ক্লাব। তবে ঢাকাবাসী এর নাম দেয় অন্টাঘর। ১৮৫৭ সালে রাণী ভিক্টোরিয়া ভারতের শাসনভার গ্রহণ করার পর আন্টাঘর ময়দান ভিক্টোরিয়া পার্কে পরিণত হয়। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালনকালে এই পার্কে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নামানুসারে ভিক্টোরিয়া পার্কের নতুন নামকরণ হয় বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক।
প্রতিদিন খোলা থাকেঃ ভোর ৫.০০ টা থেকে সকাল ৯.০০ টা, বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ১০.০০ টা।

৯. হাতির ঝিল :
ঢাকার তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, মৌচাক ও মগবাজারের পার্শ্ববর্তি এলাকা জুড়ে এই হাতির ঝিল । পালতোলা নৌকায় নৌবিহার করার সুবিধাও রয়েছে এখানে ।

১০. মৈনট ঘাট :
ঢাকার কাছেই পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানোর মজার একটি জায়গা মৈনট ঘাট। দোহারের পদ্মার পাড়ের এই এলাকা এরই মধ্যে বেড়ানোর জায়গা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজধানী থেকে দিনে গিয়ে দিনেই বেড়িয়ে আসা যায়।
ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে আসা একটি রাস্তা সোজা গিয়ে ইতি টেনেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। এখানে এসে সড়কটির দুই পাশের চর দেখে অনেকেরই ভুল মনে হতে পারে। এটি কী নদীর চর, নাকি সমুদ্রের কোনো বেলাভূমি! মৈনট ঘাট ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার একটি জায়গা। এপাড়ে দোহার আর ওপাড়ে ফরিদপুর। মৈনট ঘাট থেকে ফরিদপুরের গোপালপুরের স্পিড বোটে পারাপার হন মানুষ।

১১. মিরপুর চিড়িয়াখানা
ঢাকার মিরপুর এলাকায় বিশাল এই চিড়িয়াখানা অবস্থিত । সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পযন্ত খোলা থাকে । চিড়িয়াখানায় প্রবেশ মূল্য রাখা হয় জনপ্রতি ২০ টাকা । ঢাকার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে চিড়িয়াখানা একটি আকর্ষনীয় স্থান । বিশেষ করে শিশুদের নিকট খুবই প্রিয় । চিড়িয়াখানার পাশেই রয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন ।
এটি প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পযন্ত খোলা থাকে । বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ মূল্য রাখা হয় জনপ্রতি ১০ টাকা ।
সাপ্তাহিক বন্ধ:  রোববার (তবে অন্য কোন সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)

১২. শিশু পার্ক:
ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত শিশুপার্কটি বাংলাদেশের অন্যান্য শিশুতোষ পার্কের মধ্যে অন্যতম। এটা প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রবিবার বন্ধ। উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার শুধু ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা রাখা হয়। সামান্য প্রবেশ মূল্য দিয়ে এই শিশুপার্কে প্রবেশ করতে হয়। এই শিশুপার্কের বিভিন্ন মেশিনে উঠতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণের মূল্য প্রদান করতে হয়। তবে তা খুব বেশী নয়।

১৩. শ্যামলী শিশুমেলা:
এটি ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত। বেসরকারী সংস্থা পরিচালিত শিশুদের পার্ক। প্রতিদিন সকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। 

১৪. সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান:
ঐতিহাসিক ময়দানটি এখন সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান হিসাবে খ্যাত। এই উদ্যানটির গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে। একসময় এটি ঘোড়দৌড়ের মাঠ হিসাবে বিখ্যাত ছিল। এখন সেখান গাছের ছায়া ঘেরা সবুজ বৃক্ষরাজিতে ভরপুর সবুজ চত্বর।

১৫. জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন) – মিরপুর
মার্চ থেকে নভেম্বর প্রতিদিনঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত।
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৪.৩০ টা পর্যন্ত।
প্রবেশ মূল্য: ৫ টাকা, ছোটদের ২ টাকা। কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষ শিক্ষা সফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৩ টাকা।

১৬. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নভোথিয়েটার – বিজয় সরণি
প্রবেশ মূল্য: ৫০ টাকা। সকালের প্রদর্শনীর এক ঘন্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘন্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে।
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বুধবার
শনি – মঙ্গল ও বৃহস্পতিবারঃ সকাল ১১.০০ টা, দুপুর ১.০০ টা, বিকাল ৩.০০ টা, বিকেল ৫.০০ টা এবং সন্ধ্যা ৭.০০ টায়।
শুক্রবারঃ সকাল ১১.৩০ টা, বিকাল ৩.০০ টা, বিকেল ৫.০০ টা, সন্ধ্যা ৭.০০ টায়।

১৭. ব্লক বাস্টার সিনেমাস :
যমুনা ফিউচার পার্কের ষষ্ঠ তলার আরেকটি আকর্ষণীয় আয়োজন হল ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাতটি সিনেমা হলের সমন্বয়ে ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’। ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, থ্রিডি সিনেমার আয়োজন, চিত্তাকর্ষক ও বিলাসবহুল কফি লাউঞ্জ, অতিথিদের আরামদায়ক বসার জায়গা, ভিআইপি লাউঞ্জ, অনলাইন টিকিটিং, সাতটি হলের সাত ধরনের আকর্ষণীয় ইন্টেরিয়র ডিজাইন, মনোমুগ্ধকর লবি ডিজাইনসহ ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’-এর অভিনব সব আয়োজন সাজানো হয়েছে দেশের মানুষের বিনোদন ও প্রত্যাশা মেটানোর প্রত্যয়ে। দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পকে উৎসাহিত করা, সুস্থ মানের চলচ্চিত্র নির্মাণের ধারা ফিরিয়ে আনা এবং মানুষকে সিনেমা হলমুখী করার প্রত্যয়ে ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’কে সাজানো হয়েছে।

১৮.কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন :
আমাদের দেশে কম খরচে যোগাযোগের যে কয়েকটি বাহন আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ট্রেন। যোগাযোগের ক্ষেত্রে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে রেলওয়ের ভূমিকা অপরিসীম। আর রেলওয়ের যোগাযোগের মূল সূতিকাগার হলো ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন- যা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন নামে পরিচিত।
এক সময় গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়ায় ছিল ঢাকার একমাত্র রেলওয়ে স্টেশন।
১৯.সদরঘাট :
মতিঝিলের পরে ও যাত্রাবাড়ীর আগের জায়গাটিই সদরঘাট । চট্রগ্রাম গামী সকল বাসের বাসস্ট্যান্ড এটা ।
২০. শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ :
শহীদ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত একটি স্মৃতি স্মারক। এই স্মৃতিসৌধটি ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার এলাকায় অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটির নকশা করেছেন স্থপতি ফরিদ ইউ আহমেদ ও জামি আল শাফি। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম ৭১-এর সহায়তায় রায়েরবাজারে স্মরণ তৈরির প্রাথমিক প্রস্তাবনা আনা হয়েছিল, যারা ১৯৯১ সালে এর একটি অস্থায়ী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে


 
২১. জাতীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা :
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর পশ্চিম পাশেই এই জাতীয় ও কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারটি অবস্থিত । এটি সবমসয় খোলা থাকে ।

২২.ফ্যান্টাসি কিংডম – আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকেঃ সকাল ১১.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০ টা।
শুক্রবার ও অন্যান্য ছুটির দিনঃ সকাল ১০.০০ টা থেকে রাত ১০.০০ টা।

২৩. টগী ওয়াল্ড :
ঢাকার অভিজাত শপিংমল বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৮ এ টগী ওয়াল্ড অবস্থিত । চীনের প্রাচীর, স্ট্যাচু অব লির্বাটি, তাজমহল, পিরামিড, আইফেল টাওয়ার- এর আদলে সাজানো এখানকার ১০ টি রাইড ।

২৪. জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ :
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান (এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক) জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজের ব্যয় হয়েছিল ১৯৭ কোটি টাকা । ২০৮ একর জমির ওপর নির্মিত এই সংসদ ভবনটি তিন তলা বিশিষ্ট । এর উচ্চতা হচ্ছে ১৫৫ ফুট ৮ ইঞ্চি । বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে । তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার এর উদ্বোধন করেন । বাংলাদেশের আইন সভার নাম হচ্ছে জাতীয় সংসদ । জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম ‘হাউস অব দ্য নেশন অব বাংলাদেশ’ জাতীয় সংসদ ভবনের প্রতিক হচ্ছে শাপলাফুল । এটি এক কক্ষ বিশিষ্ট । বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা হচ্ছে ৩৫০ টি । বর্তমানে সংসদের নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ টি এবং ১৯৭৩ সালে নারীদের সংরক্ষিত আসন ছিল ১৫ টি, জাতীয় সংসদে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যা হচ্ছে ৩০০ টি । জাতীয় সংসদের পূর্বে অধিবেশন বসত তেজগাঁওস্থ বর্তমান প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ে ‍। বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান । কোনো বিদেশি প্রথম আমাদের জাতীয় সংসদে ভাষন দেন যুগোস্লাভিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো, ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ , বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ৬০ জনকে নিয়ে কোরাম গঠিত হয়ে থাকে । গণভবন ও বঙ্গভবন হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি ও প্রেসিডেন্টের বাসভবন ।
সংসদের আসন ব্যবস্থা :
সংসদ সদস্যদের জন্য আসন সংখ্যা ৩৫৪ টি, বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য আসন সংখ্যা ৫৬ টি, কর্মকর্তাদের জন্য আসন সংখ্যা ৪১ টি । নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় সংসদ ভবনের ‍উন্মুক্ত ময়দানে বর্তমানে সাধারনের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে । তবে সামনের রাস্তায় দর্শনার্থীরা যাতায়াত করতে পারবেন ।সেখান থেকে সংসদ ভবনের অপার সৌন্দর‌য উপভোগ করার ব্যবস্থা আছে ।

২৫. লালবাগের কেল্লা :
তিন শতকের পুরান ঐতিহাসিক স্থান লালবাগের কেল্লা, যাকে দুর্গও বলা হয় । মোঘল সম্রাট আরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এই কেল্লা নির্মান শুরু করেন । তবে বছর না ঘুরতেই তাঁকে রাজধানী দিল্লিতে তলব করায় কেল্লার কাজ অসমাপ্ত থেকে যায় । এরপর সুবাদার হিসেবে শায়েস্তা খাঁন এখানে এসে পুনরায় কেল্লার নির্মান কাজে হাত দেন । তবে পরবর্তীতে দক্ষিণাত্যের যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারনে মোঘল সম্রাটগণ সম্রাজ্যের উন্নয়নমূলক অনেক কাজই বন্ধ করে দিলে এই কেল্লার নির্মাণ কাজও অসমাপ্ত থেকে ‍যায় বলে অনেক ইতিহাসবিদ উল্লেখ করেছেন । তবুও এই কেল্লা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে । কেল্লার অভ্যন্তরে তিনটি পুরাকীর্তি রয়েছে । একটি হল পরী বিবির মাজার, একটি দরবার হল ও হান্মান এবং তৃতীয় হল তিন গম্ভুজ বিশিষ্ট মসজিদ । এ কেল্লার চারটি ফটকের মধ্যে প্রধান ফটক, যেটি একশ’ টাকার নোটে মুদ্রিত, সেটি এখন বন্ধ । তার বিপরীত দিকের চারটি ফটকের মাঝখানের ইট এখন প্রধান ফটক হিসেবে স্বীকৃত ।এ ফটকটিই দর্শনার্থীদের জন্য ব্যবহৃত হয় ।
লালবাগ কেল্লা বা দুর্গ জাদুঘরটিতে প্রবেশ মূল্য হিসেবে দর্শনার্থীদের কাছ থেকে ২ টাকা করে রাখা হয়। কেল্লাটি শনিবারে বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয়দিন সকাল ১০টা থেকে একটা এবং দুইটা থেকে সন্ধা ছয়টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
সাপ্তাহিক বন্ধঃ রোববার
সোমবারঃ দুপুর ১.৩০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত
মঙ্গলবার – শনিবারঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত

২৬. আহসান মঞ্জিল:
বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল এক ঐতিহাসিক ভবন। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাসের স্মৃতি। প্রাচীন সভ্যতার ধারক ও বাহক হিসেবে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরের গুরুত্ব অপরিসীম। আহসান মঞ্জিল এক সময় ব্রিটিশ ভারতীয় উপাধিপ্রাপ্ত ঢাকার নবাবদের বাসগৃহ ছিল। বিল্ডিংটি স্থাপত্য দৃষ্টিনন্দন। যে কোনো মানুষের হৃদয়কে আকর্ষণ করে এর স্থাপত্য কৌশল। জাদুঘরটির প্রথমতলা ও দ্বিতীয়তলায় রয়েছে নবাবদের ঐতিহ্যপূর্ণ জীবনযাত্রার চিত্র। জাদুঘরটি সর্বমোট ২টি গ্যালারীতে ভাগ করে বিভিন্ন বিষয়কে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতিবার
শুক্রবারঃ বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০ টা পর্যন্ত।
শনিবার – বুধবারঃ সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকেল ৪.৩০ টা পর্যন্ত।

২৭. জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম :
বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম টি প্রেসক্লাব ও মতিঝিলের মাঝে পল্টনে অবস্থিত ।

২৮. সাতগম্ভুজ মসজিদ :
সাতগম্ভুজ মসজিদটি ঢাকার মোহম্মদপুরে অবস্থিত ।

২৯. ঢাকেশ্বরী মন্দির, ঢাকা :
ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি ঢাকার ঢাকেশ্বরী রোডের উত্তরে অবস্থিত ।
৩০.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ, ঢাকা :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হয় । এটিতে  শাহবাগ, নীলক্ষেত ও পলাশি হয়ে প্রবেশ করতে পারবেন । বিস্তরিত জানতে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৩১. জাহঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার :
ঢাকার সাভারে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালটি অবস্থিত । শীতকালে এখানে অতিথি পাখি ভিড় করে । মানুষ জন এখানে প্রচুর ঘুরতে বা বেড়াতে যান প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়ার যায় বলে ।

৩২. নীলক্ষেত :
বই পুস্তক কেনার জন্য যেতে হবে ঢাকার নীলক্ষেতে যা ঠিক ঢাকা নিউমার্কেট এর বিপরীতে ।

৩৩. বাংলা বাজার
এটি ঢাকা শহর এর সবচেয়ে বিখ্যাত বইয়ের বাজারগুলির একটি এবং এটি পুরনো শহরে অবস্থিত। বাজারে পরিচালিত ২০০০ টির বেশি বই এবং প্রিন্ট প্রকাশক আছে, যা অনেক লেখক, কবি ও শিক্ষাবিদদের আকর্ষণ করে। এই বাজারটি সবসময় লোকেদের সাথে ব্যস্ত থাকে কারণ এটি নদীর ঘাটের কাছাকাছি অথবা সদরঘাট। এই বাজারের জন্য বাংলাদেশিরা অনেক গর্ব অনুভব করে। এটি পুরাতন ও নতুন বই উভয় প্রকাশনা এবং বিখ্যাত প্রকাশের জন্য বিখ্যাত। বই, প্লাস্টিক পণ্য, পলিথিন পণ্য, জুতা, স্টেশনারি এবং ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ছাড়াও খুচরা ও পাইকারি দামে বাংলা বাজারে পাওয়া যায়।
দেশের বাইরে থেকে খুচরা বিক্রেতারা এবং এই বাজার থেকে বই কেনার জন্য এটি বাংলাদেশের বইয়ের মূল উৎস। বাংলা বাজারের রাস্তা সাধারণত মৌসুমি ফল বিক্রেতাদের এবং অস্থায়ী হকারের দোকানগুলি সম্পূর্ণ হয়। এখানে অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি করে ২৫০০ টিরও বেশি দোকান আছে। বাজারের সমস্ত মালিকানাধীন বাজার শ্মোতাইয়ের মালিকানাধীন, যা বাজার ভননিক শোমেটি মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এই বাজারে প্রতিদিন সকাল 8 টায় শুরু হয় এবং সন্ধ্যা 9 টা থেকে বন্ধ হয়। শুক্রবার হল বাংলা সাপ্তাহিক ছুটির দিন
৩৪. বঙ্গবন্ধু ন্যাশনাল স্টেডিয়াম :
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় ও প্রধান স্টেডিয়াম। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল এলাকায় এটির অবস্থান। স্টেডিয়ামটি আগে এবং এখনও ১ নম্বর জাতীয় স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবর রহমানের সম্মানে এটির নামে বন্ধবন্ধু যোগ করা হয়।

৩৫. শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম
শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত। স্টেডিয়ামটি মিরপুরের ৬ নং সেক্টরে অবস্থিত। এটি বর্তমানে শুধুমাত্র ক্রিকেট মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ২৬,০০০ দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামটি স্থাপিত হয় ২০০৬ সালে। শুরুতে এটি মিরপুর স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত ছিল।

৩৬. ধানমন্ডি লেক, পার্ক, রবীন্দ্র সরোবর :
ধানমন্ডি লেক পুরো ধানমন্ডির ১০ কি:মি: এলাকা জুড়ে অবস্থিত ।

৩৭. গুলশান লেক পার্ক :
গুলশান লেক পার্কটি গুলশানের ৬৩ নং রোডে অবস্থিত ।

৩৮. চিলিস
এই রেষ্টুরেন্টটিতে থাই ও চাইনীজ খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়া অর্ডারের ভিত্তিতে বাংলা খাবার সরবরাহেরও ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে লাঞ্চ/ডিনার বক্সের ব্যবস্থা রয়েছে।  রেষ্টুরেন্টটিতে বুফে খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। শুক্রাবাদ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এই রেষ্টুরেন্টটি অবস্থিত।
ঠিকানা এবং যোগাযোগ: বাড়ি-২, রোড-১১, ধানমন্ডি-আর/এ, ঢাকা-১২০৯। ফোন: ৯১২১২৩৫, ৮১২৬৯৯৩

৩৯. ফোর সীজনস রেষ্টুরেন্ট
এখানে থাই এবং চাইনীজ খাবার পরিবেশন করা হয়। এখানে অ্যালাকার্টে (রেগুলার) মেনুর মাধ্যমে খাবার পরিবেশন করা হয়। রেগুলার সার্ভিস এর পাশাপাশি এখানে পার্টি আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। রেষ্টুরেন্টটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। এখানে বুফে খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। ঠিকানা ও যোগাযোগ: হাউজ # ৫৯/এ, রোড # ১৬ (নতুন), ২৭ (পুরাতন), সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭৫৫৬৩৬২৬৪, ০১৭৫৫৬৩৬২৯৪-৯৭. ই-মেইল: 4seasons@x-grouprestaurant.com. ওয়েবসাইট: www.x-grouprestaurant.com

৪০. নান্না বিরিয়ানি:
এর নাম শুনেনই এমন মানুষ খুব কমই আছে। এই দোকানটির মতো “মোরগ-পোলাও” বাংলাদেশের আর কোন দোকান বানাতে পারে কি না, আমি বলতে পারবো না। এই দোকানটির “মোরগ-পোলাও” এর যে স্বাদ তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। অনায়াসে যে কেও এক-বৈঠকে দুটি “মোরগ-পোলাও” শেষ করে ফেলতে পারবে। “মোরগ-পোলাও” এর ঝোলের যেই স্বাদ, তা এককথায় অমৃত এর কাছাকাছি। সেই সাথে এই দোকানের বোরহানিটাও মজার। এই মোট ৪টি শাখা রয়েছে। ৪টি শাখাই পুরনো ঢাকায় অবস্থিত।

                       "ধন্যবাদ সবাইকে"


No comments:

Post a Comment